মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের কাজে জনজাতি সমাজের মহিলা গন আপ্লুত

সংবাদ দাতা।। ১লা ডিসেম্বর।

খুব স্বল সময়ে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব রাজ্যের জনজাতি জনগণের অন্তরে স্থান দখল করতে সক্ষম হয়েছেন।রাজ্যে তার আগে অনেক মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। কেউ কেউ জনজাতি সমাজ থেকে উঠে এসেও দীর্ঘ দিন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন । জনজাতিদের উন্নয়নে প্রচুর পরিমাণে কাজ ও করেছেন। দিনের পর দিন জনজাতির ঘরে এক সাথে থেকে গোদক,চাকুই,বেরমা বোতৌই -সিদঁল ঝোল সহ নানা হ খাবার খেয়েছেন। সেই সব মুখ্যমন্ত্রী রাজনৈতিক কারনে একাংশ জনজাতির কাছে আপন হয়েছেন। অন্তরে স্থান পান নি। কিন্তু বিপ্লব কুমার দেব মাত্র চার বছর আগে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেছেন। তার আগে বি জে পি র হয়ে সং গঠন কাজ করেছেন। তখন ও জনজাতি অংশে র জনগন ভালো ভাবে তাকে চিনতেন না।সে কেমন মানুষ জানতেন না। ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যের জনগন তাকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছে।

রিসা – জনজাতি রমনীদের বক্ষ আবরন।রিসা -স্ত্রী লিঙ্গ শব্দ। রমনী বা মহিলার কাছে যত সময় থাকবে এসময় পর্যন্ত রিসা নামে এর পরিচিত । কিন্তু মহিলার কাছ থেকে স্থান পরিবর্তন করে কোন ব্যক্তির কাঁদে বা গলায় গিয়ে আশ্রয় নিবে। তখন ই রিসা র নাম পরিবর্তন হয়ে যায়।তখন সে পুঙলিঙ্গ রুপ ধারণ করে।রিসা নাম রুমাই হয় ( বাংলা য় তর্জমা শব্দ হচ্ছে ” বরণ “)।

রাজ্যে বিপ্লব কুমার দেবের নেতৃত্বে বি জে পি সরকার ক্ষমতায় এসে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে র দিন থেকে জনজাতি মহিলা দের বক্ষাবরন তথা রিসা র মাধ্যমে অতিথি বরন আরম্ভ শুরু হয়। আজ ও সরকারি বেসরকারি সব ধরনের অনুষ্ঠান গুলো তে রিসা দিয়ে অতিথি বরন করা হয়।রাজ্যে বি জে পি সরকারের আগে কোন সরকার রিসা ব্যবহারে গুরুত্বারোপ করে নি। কোন কোন অনুষ্ঠানে রিসা দিয়ে বরন করা হলে তাকে সাদরে গ্রহণ করা হয় নি।কেউ কেউ রিসা দিয়ে বরন করা মাত্র তা গলা থেকে সরিয়ে টেবিলে র উপর রাখতেন। তা নিয়ে কেউ মুখে প্রতিবাদ করতে পারেননি। এরজন্য মহিলাগন নিজেদেরকে অপমানিত নীচু ঘৃনা চোখে দেখা হয় বলে মনে মনে ভাবতেন। কি ন্ত মনে র মধ্যে ব্যাথা চেপে রাখতেন দিনের পর দিন। কাউকে তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারতেন না।এখন যেমন রিসা দিয়ে বরন করার পর তা সাদরে গর্ভের সাথে গলায় জড়িয়ে রাখেন অতিথিগন। রিসা গলায় জড়িয়ে রাখায় এখন নিজেদের নিয়ে বেশগর্ভ বোধ করেন জনজাতি জনগন।শুধু তাই নয় মুখ্যমন্ত্রী জায়া জনজাতি রমনীদের পাছরা রিসা পরিধান করে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গর্ভের সাথে নিজেকে তুলে ধরে ন। তা দেখে জনজাতি সমাজের জনগন গর্ববোধ করেন বলে প্রতিবেদককে জানান। এছাড়া মুখ্যমন্ত্রী শ্রীদেব জুমিয়া ঘরের দাওয়ায় পাত পেড়ে জনজাতিদের খাবার তিপ্তীর সাথে সেবন করেন।

সম্প্রতি লক্ষীপুজোতে জনজাতি পরিবারের ঘরে ছুটে গেছেন। পরিবার গুলো র সাথে আনন্দ উপভোগ করেছেন। এনিয়ে ও জনজাতি মধ্যে আনন্দ অভিভূত হয়।খুলুমখা – জনজাতিদের মাতৃভাষা ।বাংলায় শব্দার্থ- নমস্কার।খুলুমখা – এই শব্দ বিপ্লব কুমার দেব ছাড়া আগে কোনো মুখ্যমন্ত্রী সভাসমিতি তে ব্যবহার করতেন না।একটি শব্দ ই আগে র কোনো মুখ্যমন্ত্রী ব্যবহার না করায় জনজাতি সমাজ নিজেদেরকে হীন মনতায় ভোগতেন। ওদের অনেকেই ভাবতেন তাদের যর্থাথ সন্মান দেয়া হয় না। এ ডি সি র মুখ্যকার্যনির্বাহী সদস্য দেবব্রত কল‌ই ২০০০সালে প্রথম রিসা দিয়ে অতিথি বরন করার প্রচলন শুরু করেছিলেন। কিন্ত তা বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। তৎকালীন উপজাতি যুব সমিতির ছাত্র সংগঠন উপজাতি দের নিজস্ব কাপড় পাছড়া ও রিসা পরিধান করতে বাধ্য করে ছিল। পরবর্তী সময়ে উগ্ৰপন্থী দলগুলো থেকে ও হুঁলিয়া জারি করা হয়েছিল উপজাতি দের নিজস্ব পোশাক পরিধান করতে।২০০০ সালে তৎকালীন সময়ে র এডিসির নির্বাচিত সদস্য গনের অনেক ই রিতুকু বরক এবং কুতাই বরক পরিধান করে শপথ গ্রহণ করেছিল। কিন্তু পরবর্তীতে তা বজায় রাখতে সচেষ্ট হয় নি। জনজাতিদের রাজনৈতিক দল গুলো সময়ের প্রয়োজনে তা চালু করতে উদ্যোগ নিয়েছে। প্রয়োজন পুড়িয়ে যাবার পর তা সমাজে ধরে রাখে নি। কিন্তু বিপ্লব দেবের চালু করা রিসা আজ ব্যান্ড হয়ে গেল। রিসা বুনে এবং বিক্রয় করে অনেক কে আজ বেঁচে থাকার পথ খুঁজে পেয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *